বুধবার (২ এপ্রিল) ভুক্তভোগীর মা কবিরহাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। তবে এর আগে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা পোস্টকে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কবিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া।
অভিযুক্ত মো. ফরিদ (১৬) কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের মো. দিদার মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ২৩ মার্চ থেকে ভুক্তভোগী শিশুর মা তার ছোট মেয়ের শারীরিক অবনতি লক্ষ্য করে। এরপর ২৫ মার্চ দুই বোন তাদের ঘরের পাশে রাস্তার ওপর নিজেদের ট্রাক্টর নিয়ে খেলাধুলা করছিল। ভুক্তভোগীর বাবা ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছেন, মা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেখান থেকে ফরিদ তাদের বড় মেয়েকে পাশের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটির চিৎকার শুনে তার ছোট বোন মাকে গিয়ে বিষয়টি জানায়। তাৎক্ষণিক তার মা ঘটনাস্থল থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এরপর শিশুর মা তার ছোট মেয়ের শারীরিক অবনতি কারণ জানতে চাইলে সে জানায় গত ২৩ মার্চ বিকেলে তার সঙ্গেও একই কাজ করেছে ফরিদ।
স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভুক্তভোগীদের পরিবারের পাশে কেউ ছিল না। স্থানীয়রা নানানভাবে শালিশ বিচারের মাধ্যমে সমাধান করতে চেয়ে দেরি হয়েছে। এতে আলামত নষ্ট হয়েছে। তবে আসামিরে কৌশলে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার প্রার্থনা করছি।
কবিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া বলেন, গত ৩০ মার্চ আসামিকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এখন দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।