গাজার সার্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত ‘সব পক্ষ’ যুদ্ধবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলবে, এমনটি আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, এ মুহূর্তে গাজায় যা কিছু ঘটছে, সবকিছুর জন্যই হামাস দায়ী।
জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা জানায়, গত ২৩ মার্চ পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স, একটি অগ্নিনির্বাপক ট্রাক এবং একটি জাতিসংঘের গাড়ি একের পর এক হামলার শিকার হয়। এতে ১৫ জন নিহত হন।
এ হামলার বিষয়ে দেশটি কোনো মূল্যায়ন করেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দেশটি। নিহতদের মাঝে কেউ ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী, কেউ আবার বেসামরিক প্রতিরক্ষাকর্মী। একজন ছিলেন জাতিসংঘ কর্মকর্তা।
তবে এ বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের সৈন্যরা এমন কিছু যানবাহনের ওপর গুলি চালায়, যেগুলো ‘সন্দেহজনকভাবে’ সামনে যাচ্ছিল।
যুদ্ধ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক আইনে বেসামরিক নাগরিকদের হামলার লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে। একইসঙ্গে চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্তদের বিষয়েও এ আইনে বিশেষ সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও তার নিজের আইনের কাছে বাঁধা। আইন অনুযায়ী, যুদ্ধবিষয়ক আইন লঙ্ঘন করে বিদেশি সামরিক বাহিনী এই অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে না।
জাতিসংঘের মানবিক সংস্থার প্রধান জনাথন হুইটল এক্স হ্যান্ডলে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কখনোই হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন না।
হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনা স্থগিত হওয়ার পর গত ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল ফের হামলা শুরু করে। সেই থেকে গাজায় এক হাজার জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। -বিবিসি